নীড়পাতা » স্থানীয়-২ » মারজুকে হত্যার দাবি মায়ের প্রতিবেদন চেয়েছে আদালত

অভিযোগ স্বামী ও শ্বশুরপক্ষের বিরুদ্ধে

মারজুকে হত্যার দাবি মায়ের প্রতিবেদন চেয়েছে আদালত

আদালত প্রতিবেদক

পোশাক শ্রমিক মারজু বেগমকে পারিবারিক কলহের জের ধরে হত্যা করা হয়েছে বলে আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীর মা নুরজাহান (৫৬)। ২ নভেম্বর সন্ধ্যায় মারজুকে স্বামী ও শ্বশুরপক্ষের আত্মীয়রা মিলে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হোসেন চৌধুরী অভিযোগ বিষয়ে সুরতহাল রিপোর্ট পর্যালোচনা করে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে কর্ণফুলী থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযুক্তরা হলেন : নিহত মারজু বেগমের (২১) স্বামী নগরীর কর্ণফুলী থানাধীন খোয়াজনগর ত্রিশ কলোনির শামীম ওরফে আকাশ (২৭), শ্বশুর দাউদ শেখ (৫৫), শ্বশুর পক্ষের আত্মীয় লিটন (৪০), ননদ জেসমিন (৩২) ও শাশুড়ি নারগিস বেগম (৪৮)।
বাদিকে বিনা খরচে আইগত সহায়তা দিচ্ছে জেলা লিগ্যাল এইড (ডিল্যাক)। মামলা পরিচালনাকারী ডিল্যাক প্যানেল আইনজীবী মো. ইসকান্দর সোহেল পূর্বকোণকে বলেন, ৮ নভেম্বর বাদিপক্ষে অভিযোগটি দায়ের করা হয়। আদালত এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে কি না সে ব্যাপারে আদালতের কর্ণফুলী থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখায় ( জিআরও) দপ্তরে প্রতিবেদন তলব করেন। জিআরও শাখার প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ব্যাপারে অপমৃত্যু মামলা ২৫/১৭ রুজু হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর গতকাল আদালত এ ব্যাপারে ১৫ দিনের মধ্যে অভিযোগ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য ওসিকে নির্দেশ দেন।
অভিযোগে বলা হয়, আকাশের সাথে মারজুর বিয়ে হওয়ার পর এ বছর ৬ ফেব্রুয়ারি অভিযুক্তরা পারিবারিক কলহের কারণে নির্যাতন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে। এ ঘটনায় সেদিন নিজের নিরাপত্তা চেয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কর্ণফুলী থানায় অভিযোগ (পিপিআর ১৭১) রুজু করেন। এ ধারাবাহিকতায় ২ নভেম্বর ভুক্তভোগী পোশাক কারখানায় কাজশেষে বাসায় ফিরলে সন্ধ্যায় অভিযুক্তরা তাকে হত্যা করে। সেদিন রাত ৮ টায় পুলিশ তার মেয়ে নিহত হওয়ার সংবাদ জানায়। ৩ নভেম্বর তাকে দাফন করা হয়। বাদির অভিযোগে পারিবারিক কলহের জের ধরে মারজুকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে প্রচার করছে বলে দাবি করা হয়।