নীড়পাতা » অর্থনীতি » আট বছরে আয়কর বেড়েছে তিন গুণের বেশি

চট্টগ্রাম কর অঞ্চল

আট বছরে আয়কর বেড়েছে তিন গুণের বেশি

২০০৯-১০ অর্থবছরে চট্টগ্রাম কর অঞ্চল থেকে ২ হাজার ৭৫১ কোটি টাকার আয়কর আদায় হয়। গত অর্থবছরে (২০১৬-১৭) এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৮ হাজার ৪১৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ আট বছরের ব্যবধানে চট্টগ্রাম কর অঞ্চলে আদায়কৃত আয়করের পরিমাণ বেড়েছে ৩০৬ শতাংশ বা তিন গুণের বেশি। করদাতাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, নতুন করদাতা অন্তর্ভুক্তকরণ ও কর আহরণ পদ্ধতির আধুনিকায়নের ফলে এ প্রবৃদ্ধি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-১-সূত্রে জানা যায়, ‘উৎসে কর কর্তন থেকে শুরু করে কর আহরণে সরকার বেশকিছু আধুনিক পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। এগুলো বাস্তবায়নের ফলে আয়কর আহরণ সহজ হয়েছে। এছাড়া জনগণের মধ্যে যে ‘করভীতি’ ছিল, সচেতনতা বৃদ্ধির ফলে তা কমে এসেছে। করদাতারা এখন নিজেরাই উৎসাহ নিয়ে কর দিচ্ছেন। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে গত কয়েক বছর নতুন করদাতার সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টিও কর আহরণে প্রভাব ফেলেছে।’
জানা যায়, গত অর্থবছরে সারা দেশের আয়কর আদায়ের প্রবৃদ্ধি ছিল ১৯ শতাংশ। অন্যদিকে চট্টগ্রাম কর অঞ্চলে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৩ শতাংশের বেশি। প্রবৃদ্ধির এ ধারা অব্যাহত রাখতে নারীদের জন্য আলাদা আয়কর মেলা আয়োজনের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
চট্টগ্রামের চার কর অঞ্চলের হিসাব অনুযায়ী, ২০০৯-১০ থেকে ২০১৬-১৭ অর্থবছর পর্যন্ত আট বছরে আয়কর আদায় হয়েছে মোট ৪৪ হাজার ৯১৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয়কর এসেছে গত অর্থবছর। ২০১০-১১ অর্থবছর ৪ হাজার ৯৫ কোটি টাকা, ২০১১-১২ অর্থবছর ৪ হাজার ৫২৬ কোটি, ২০১২-১৩ অর্থবছর ৫ হাজার ৪৪৩ কোটি, ২০১৩-১৪ অর্থবছর ৬ হাজার ৩৯৩ কোটি, ২০১৪-১৫ অর্থবছর ৬ হাজার ২১৮ কোটি ও ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৭ হাজার ৭৩ কোটি টাকার আয়কর আদায় হয়।
এদিকে গত সাত বছরে আয়কর মেলা থেকে কর আহরণের পরিমাণও বেড়েছে। ২০১৬ সালের আয়কর মেলায় ৫১৭ কোটি টাকার কর আদায় করা হয়। গতকাল শুরু হওয়া চলতি বছরের আয়কর মেলা থেকে ৬০০ কোটি টাকার কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম জুনিয়র চেম্বারের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন বলেন, আগের তুলনায় অনেক বেশি প্রচারণা হওয়ায় আয়কর দেয়ার প্রতি মানুষের মধ্যে আগ্রহ বেড়েছে। চট্টগ্রামে যে হারে আয়কর বেড়েছে, মানুষের আয় কিন্তু সে হারে বাড়েনি। আয়করে প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে তরুণ থেকে শুরু করে সব বয়সের মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির কারণে। এতে আয়কর মেলা একটি বড় ভূমিকা রাখছে।
‘গ্রামীণ বাজার’ হচ্ছে সারাদেশে, সরাসরি পণ্য বেচবে কৃষক

কৃষক ও বিনিয়োগকারীদের পণ্য সরাসরি ভোক্তার কাছে বিক্রির সুযোগ করে দিতে দেশের প্রতিটি উপজেলাসহ মোট ৫২০টি গ্রামীণ বাজার তৈরি করবে সরকার।
প্রতিটি তিনতলা বিশিষ্ট ৪ থেকে ১০ হাজার বর্গফুটের বাজার তৈরিতে ব্যয় হবে এক হাজার ৭৩০ কোটি টাকা ।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এ বছর প্রকল্পের কাজ শুরু করে আগামী ২০২০ সালের জুনের মধ্যে শেষ করবে।
সম্প্রতি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ‘দেশব্যাপী গ্রামীণ বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।
জানা যায়, দেশব্যাপী গ্রামীণ বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পটি কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করতে অবকাঠামো নির্মাণের উদ্দেশ্যেই এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। প্রত্যোকটি বাজারে কৃষদের পণ্য বিক্রির আলাদা জায়গা থাকবে।” [সূত্র : পত্রপত্রিকা]
আবদুল মুহিদ