নিজস্ব প্রতিবেদক

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শুধু একজন ব্যক্তি নন, একটি প্রতিষ্ঠান। বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শী নেতৃত্বের গুণে এদেশ স্বাধীন হয়েছে। বঙ্গবন্ধু না হলে বাংলাদেশের জন্ম হত কিনা প্রশ্নসাপেক্ষ। বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু অভিন্ন সত্তা। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে গতকাল চট্টগ্রামসহ দেশব্যাপি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপিত হয়।

মহানগর আওয়ামী লীগ : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ম-লীর সদস্য সমাজবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. অনুপম সেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ পূর্ণতা পেয়েছিলো। ১৬ ডিসেম্বর দেশ হানাদার মুক্ত হলেও হাহাকার ছিল বঙ্গবন্ধু কখন মৃত্যুকূপ থেকে ফিরে আসবেন। তিনি এসেছিলেন এই দিনে, তার আগে নয়া দিল্লীতে আমাদের

মুক্তিযুদ্ধের সহযোদ্ধা ইন্দিরা গান্ধীকে বলেছিলেন, আপনার সেনাবাহিনীকে ফিরিয়ে নিন। ইন্দিরা কথা রেখেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ১৯ মার্চ ভারতীয় সেনাবাহিনীকে ফিরিয়ে নিয়েছিলেন। বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু অভিন্ন সত্তা। তিনি গতকাল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, তিন হাজার বছরের ইতিহাসে বাঙালি কখনো স্বাধীন ছিল না। ৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায় বাঙালি জাতিসত্তার আবির্ভাব হয়। সভাপতির ভাষণে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসটি মহা আনন্দের, তবে এই দেশকে জঙ্গিবাদমুক্ত করার জন্য আমাদের লড়াই অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি আরো বলেন, সুশৃঙ্খল কর্মী বাহিনী আমাদের প্রধান শক্তি। বিশৃঙ্খলকারীরা জামাত-শিবিরের প্রতিভূ। তাদেরকে চিহ্নিত করে হটিয়ে দিতে হবে। মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, সহ সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ রশিদ, কোষাধ্যক্ষ সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, আইন সম্পাদক এডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, থানা আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর চৌধুরী সিইনসি স্পেশাল, মহানগর যুবলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন খোকা, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা এডভোকেট মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা কায়সার মালিক, মহানগর ছাত্রলীগ নেতা ইমরান আহমেদ ইমু ও নুরুল আজিম রনি। সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, এডভোকেট সুনীল কুমার সরকার, খোরশেদ আলম সুজন, এম জহিরুল আলম দোভাষ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম, উপদেষ্টা এ কে এম বেলায়েত হোসেন, শেখ মাহমুদ ইসহাক, সম্পাদকম-লীর সদস্য নোমান আল মাহমুদ, শফিক আদনান, শফিকুল ইসলাম ফারুক, সৈয়দ হাসান মাহমুদ শমসের, আহমেদুর রহমান সিদ্দিকী,চন্দন ধর,মশিউর রহমান চৌধুরী, হাজী জহুর আহমেদ, মোহাম্মদ হোসেন, জোবাইদা নার্গিস খান, দেবাশীষ গুহ বুলবুল, আবদুল আহাদ, ইঞ্জিনিয়ার মানস রক্ষিত, আবু তাহের, উপ প্রচার সম্পাদক শহিদুল আলম, উপ দপ্তর সম্পাদক জহরলাল হাজারী, নির্বাহী সদস্য এম এ জাকের, আবুল মনসুর, নুরুল আলম, গাজী শফিউল আজিম, শেখ শহীদুল আনোয়ার, বখতেয়ার উদ্দিন খান, অমল মিত্র, কামরুল হাসান বুলু, গৌরাঙ্গ চন্দ্র ঘোষ, মহব্বত আলী খান, নুরুল আমিন শান্তি, বিজয় কিষাণ চৌধুরী, জাফর আলম চৌধুরী, মোহাম্মদ জাবেদ, মোর্শেদ আকতার চৌধুরী, থানা আওয়ামী লীগের আলহাজ্ব ফিরোজ আহমদ, আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন আহমেদ, আনসারুল হক, আলহাজ্ব ছিদ্দিক আলম, হারুনুর রশীদ, আবু তাহের, হাজী শফিকুল ইসলাম, হাজী সুলতান আহমেদ চৌধুরী, কাজী আলতাফ হোসেন, মাজাহারুল ইসলাম চৌধুরী, শফিউল আলম সগীর, অধ্যক্ষ আসলাম হোসেন, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের হাজী আলী বক্স, আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন, আবুল বশর, ছালেহ আহমদ চৌধুরী, নুরুল আলম, আলহাজ্ব শের মোহাম্মদ, সলিম উল্লাহ বাচ্চু, আবুল হাসেম বাবুল, মোরশেদ আলম, শামসুল আলম, আশরাফুল আলম, কাজী রাশেদ আলী জাহাঙ্গীর, আবদুর রহিম, হাসান মুরাদ, হাজী মোহাম্মদ হাছাস, নুরুল আজিম নুরু, আবদুল্লাহ আল ইব্রাহিম, জহুরুল আলম জসিম, এরশাদ মামুন, জহির আহমেদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন ইবনে আহমেদ, আবদুর রহমান, রফিকুল হোসেন বাচ্চু, আফছার উদ্দিন চৌধুরী, আশফাক আহমেদ, ফজলে আজিম বাবুল, আবদুল হান্নান, নুরুল আমিন কালু, শওকত আলী আবদুর রহমান, মোজাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, জামাল উদ্দিন, আবদুর শুক্কুর ফারুকী, আতিকুর রহমান, শেখ সোহরাওয়ার্দী, দলিলুর রহমান, আবদুল মালেক, সুলতান আহাম্মদ, আবদুল মান্নান, জয়নাল আবেদীন আজাদ, নূর মোহাম্মদ নুরু, এড. আইয়ুব খাঁন, নিজামউদ্দিন নিঝু, সাইফুদ্দিন খালেদ, জসিম উদ্দিন, নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, মোহাম্মদ ইয়াকুব, হাজী ইউনুচ কোম্পানী, হাজী আবু তৈয়ব সিদ্দিকী, সৈয়দ মোহাম্মদ জাকারিয়া, মো. আবুল কাশেম, দিলদার খাঁন দিলু, সেলিম রেজা, শ্রমিক লীগের কাজী মাহবুবুল হক চৌধুরী এটলী, যুবলীগ নেতা মহিউদ্দিন বাচ্চু, ফরিদ মাহমুদ, দিদারুল আলম দিদার, মাহবুবুল হক সুমন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কে.বি.এম শাহজাহান, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন প্রমুখ।
উত্তর জেলা আওয়ামীলীগ : ৩০ লক্ষ শহীদের আত্মদান ও দুই লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত মহান স্বাধীনতার পূর্ণতা ছিলনা। বিশ্ব নেতৃবৃন্দের চাপের মুখে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পূর্ণতা লাভ করে। বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে উত্তর জেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত আলোচনায় সভায় বক্তারা এ কথা বলেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে দোস্ত বিল্ডিংস্থ কার্যালয়ে সংগঠনের সহ-সভাপতি ও মহানগর পিপি এড. ফখরুদ্দিন চৌধুরী’র সভাপতিত্বে সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর মেয়র দেবাশীষ পালিতের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদ, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দীন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ.টি.এম. পেয়ারুল ইসলাম চৌধুরী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক স্বজন কুমার তালুকদার, দপ্তর সম্পাদক মহিউদ্দিন বাবলু, উপদেষ্টা এডভোকেট এম.এ নাসের চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক জসিম উদ্দীন শাহ, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য কামরুল ইসলাম চৌধুরী, শিক্ষা ও মানব সম্পদ সম্পাদক বেদারুল আলম চৌধুরী বেদার, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ হারুন, আইন সম্পাদক এডভোকেট. ভবতোষ নাথ, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ইদ্রিচ আজগর চেয়ারম্যান, উপ-দপ্তর সম্পাদক ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলাউদ্দীন সাবেরী, কার্যকরী সদস্য দিদারুল আলম বাবুল, চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম তালুকদার, উত্তর জেলা কৃষকলীগ সভাপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী, মহিলা আওয়ামীলীগ সভানেত্রী ও জেলা পরিষদ সদস্যা দিলোয়ারা ইউসুফ, কৃষকলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম, মহিলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদিকা এডভোকেট বাসন্তী প্রভা পালিত, কেন্দ্রীয় যুবলীগ সদস্য ও চেয়ারম্যান শেখ ফরিদ চৌধুরী, উত্তর জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি বখতেয়ার সাঈদ ইরান প্রমুখ।
দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ : বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ বলেন, বাঙালির বিজয় দিবস হচ্ছে ১৬ ডিসেম্বর, জাতির জনক পাকিস্তানি কারাগারে থাকায় জাতি বিজয়ের স্বাদ থেকে বঞ্চিত ছিল। বঙ্গবন্ধু স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের মধ্যদিয়ে বাঙালি জাতি বিজয়ের পূর্ণ স্বাদ গ্রহণ করে। বঙ্গবন্ধুর দেশে প্রত্যাবর্তন ছিল অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাত্রা। কিন্তু ঘাতকরা সেই আলো বেশিদূর এগুতে দেয়নি। ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে দেশকে আবার অন্ধকারে নিমজ্জিত করে।তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ আবার আলোর পথে এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে সফল প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান। দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন, সাথে নিজের জীবন উৎসর্গ করে বুঝিয়ে দিয়েছেন, বাঙালি জাতিকে তিনি কতটা ভালবাসেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে সমৃদ্ধ দেশ গঠনে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।
গতকাল (মঙ্গলবার) বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন উপলক্ষে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা সংগঠনের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ দাশ’র সঞ্চালনায় সংগঠনের আন্দকিল্লাস্থ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।সভায় বক্তব্য রাখেন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, ওয়াশিকা আয়েশা খান এম.পি, সহ-সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান চেয়ারম্যান, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট জহির উদ্দিন, শ্রম সম্পাদক খোরশেদ আলম, দপ্তর সম্পাদক আবু জাফর, শিক্ষা সম্পাদক বোরহান উদ্দিন এমরান, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য চেয়ারম্যান নাছির আহমদ, ছিদ্দিক আহমদ বি.কম, আনোয়ারুল ইসলাম খান সওকত, এ কে আজাদ, উপ-দপ্তর সম্পাদক বিজয় কুমার বড়–য়া, মাহবুবুল আলম চৌধুরী, চন্দনাইশ উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আবু আহমদ জুনু, বোয়ালখালী পৌরসভা আওয়ামী লীগ আহবায়ক জহুরুল ইসলাম জহুর, দক্ষিণ জেলা কৃষকলীগ সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুবলীগ সদস্য জাহেদুর রহমান সোহেল, ইঞ্জিনিয়ার আবুল কাশেম, কবি রবীন ঘোষ, ইঞ্জিনিয়ার স্বপন বড়ুয়া, স্বপন শীল, এডভোকেট শফিউল আলম, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী শামীমা হারুন লুবনা, দীপিকা বড়–য়া, জান্নাতুল ফেরদৌস জান্নাত, জীবন আরা রুবী, দক্ষিণ জেলা যুবলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আজম শেফু প্রমুখ।
বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট : হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে যখন উন্নয়নের জোয়ার চলছে ঠিক সেই সাথে এ সরকারকে উৎখাতের জন্য একের পর এক ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে স্বাধীনতা বিরোধী একটি গোষ্ঠি। তাই এদের বিরুদ্ধে আমাদের শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলার মধ্যদিয়ে বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্ন সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার ব্রত নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।
৯ জানুয়ারি নগরীর থিয়েটার ইনিস্টিটিউশনে ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যার্বতন দিবস উপলক্ষে মহানগর বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে আলোচনা সভায় বক্তারা এ আহবান জানান। চট্টগ্রাম বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সিনিয়র সহ সভাপতি প্রকৌশলী রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং জোটের সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলমের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগর আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নঈমুদ্দিন চৌধুরী। এতে মূখ্য আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিষয়ের সাবেক ডীন ড. মোহাম্মদ জাকের। বিশেষ অতিথি ছিলেন, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সফর আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ ইছহাক,সাবেক কাউন্সিলর প্রকৌশলী বিজয় কিশান,মহানগর জাতীয় চার নেতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহিম, বক্তব্য রাখেন মহানগর যুবলীগের সদস্য তানভির আহমেদ রিংক,সাবেক আইন কলেজ ভিপি এডভোকেট নজরুল ইসলাম,কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক ইয়াছির আরাফাতসাবেক ভিপি চট্টগ্রাম আইন কলেজ আরিফ মঈন উদ্দিন প্রমুখ।
বাঁশখালী : বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন ছিল বাঙালির মুক্তি, চেতনার অহংকার । হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধুর ডাকে বাংলার লক্ষ লক্ষ মানুষ ১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। নিরস্ত্র বাঙালি ৯ মাস যুদ্ধে বর্বর পাকবাহিনীকে পরাস্ত করে বাংলার স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। ১৯৭২ সালে যখন বঙ্গবন্ধু পাক বাহিনীর পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে দেশে ফিরে এলেন সে দিন বাংলার স্বাধীনতাকামী মানুষের ছিল পূর্ণ স্বাধীনতা অর্জন । গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় বাঁশখালী কালীপুর এজাহারুল হক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরকারের অর্থ ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এমপি এসব কথা বলেন।
উপজেলা উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি পুলিন বিহারী সুশীলের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শ্যামল দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিকাশ রঞ্জন ধর, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল গফুর, আওয়ামীলীগ নেতা ডা. ফারুখ আহমদ। এছাড়া বক্তব্য রাখেন, আওয়ামীলীগ নেতা এডভোকেট আ, ন. ম শাহাদাত আলম, আওয়ামীলীগ নেতা শাহাদাৎ ফারুক, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি অধ্যাপক তাজুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাকছুদ মাসুদ, ছনুয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জিল্লুর করিম শরীফি, চাম্বল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুল হক চৌধুরী প্রমুখ।
চবি অফিসার সমিতি : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার সমিতির উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয় এবং পরে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চবি বঙ্গবন্ধু পরিষদের সহ-সভাপতি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ফরহাদ হোসেন খান। চবি অফিসার সমিতির সভাপতি এ কে এম মাহফুজুল হক খোকনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রশিদুল হায়দার জাবেদের পরিচালনায় সমিতির সহ-সভাপতি মো. গিয়াস উদ্দিন,সহ-সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আবেদীন, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ লষ্কর,সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ লোকমান, সাং¯কৃতিক সম্পাদক মীনা পারভীন হোসেন এবং কার্যনির্বাহী সদস্য রাশেদ উদ্দিন রায়হান, মোহাম্মদ আইয়ুব, মো. হাসানুল করিম ও হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।