নিজস্ব সংবাদদাতা বোয়ালখালী

১১টি চোরাই গরু উদ্ধার করে বিপাকে পড়েছেন বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহ উদ্দিন চৌধুরী। গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে ওসি এ অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘গরু নিয়ে মহাবিপাকে আছি ভাই। উদ্ধার করা গরুর খাওয়া ও পাহাড়া নিয়ে থানা পুলিশের কয়েক সদস্যকে ব্যস্ত সময় কাটাতে হচ্ছে। এককথায় হিমশিম খাচ্ছি। এতে থানার স্বাভাবিক কাজে বিঘœ ঘটছে’।

কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে চুরি হওয়া চারটি গরুসহ ১১টি গরু উদ্ধার করে বোয়ালখালী থানা পুলিশ। এ ব্যাপারে চকরিয়ার আবু ইউছুপ বোরহান তার চারটি গরু নিশ্চিত করে চোরদের

বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এছাড়া আরও ১টি গরুর মালিকের সন্ধান পাওয়া গেছে, তবে এ পর্যন্ত মালিকরা থানায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে আসেননি। এছাড়া বাকি ৬টি গরুর মালিক এখনো পাওয়া যায়নি।
ওসি বলেন, চুরির ঘটনায় মুছা মিয়া নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে আজ (গতকাল মঙ্গলবার) আদালতে প্রেরণ করা হয়ছে। শনাক্ত হলেও আইনি ব্যাপার থাকায় মোট ১১ গরুর লালন পালনে হিমশিম খেতে হচ্ছে থানাকে।
উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি উপজেলার উত্তর গোমদ-ী বাংলাপাড়ার আলী সারেং বাড়ির আবু তৈয়বের গোয়াল ঘর থেকে ১৯টির মধ্যে ৭টি ও তার ভাই বাদশা মিয়ার গোয়াল ঘর থেকে ৪টি চোরাই গরু উদ্ধার করা বোয়ালখালী থানা পুলিশ। এ ঘটনায় আবু তৈয়ব ও বাদশা মিয়া পলাতক রয়েছেন।