নিজস্ব প্রতিবেদক

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নগরীর মনছুরাবাদ পিডিবি কলোনিতে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের দুইপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত চারজন আহত হয়েছে। তাদের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল (মঙ্গলবার) দুপুরে এ সংঘর্ষ হয়। আহতরা হলেন, পোট সিটি ইউনিভার্সিটির ছাত্র মহিউদ্দিন জুয়েল, সরকারি কমার্স কলেজের ছাত্র ইসমাইল হোসেন, রিয়াদ হোসেন ও এসএসসি পরীক্ষার্থী মোরশেদুল আলম অপু। তারা সবাই সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সমর্থক। অপরপক্ষে যুবলীগ কর্মীরা সভাপতি এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী। সংঘর্ষের একপর্যায়ে আ জ ম নাছিরের ম্যুরাল উপড়ে ফেলা হয় এবং প্রধানমন্ত্রীর ছবি ছিঁড়ে ফেলা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। এসময় কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা যায়। তবে কোন পক্ষ গুলি ছুড়েছে তা জানা যায়নি। ঘটনার বর্ণনা দিয়ে মহানগর ছাত্রলীগের উপ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ইমরান আলী মাসুদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) মনছুরাবাদ কলোনি মাঠে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি এবং মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের ম্যুরাল স্থাপন করা হয়। দুপুরে সেখানে আমরা ফুল দেওয়ার সময় যুবলীগ নেতা জিয়াউদ্দিন রানার নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জন লোক লাঠিসোঁটা, কাঠের বাট নিয়ে হামলা করে। এতে চার ছাত্র হতাহত হয়েছে। তিনিা বলেন, বিষয়টি বর্তমানে বিদেশে অবস্থানরত মেয়রকে অবহিত করা হয়েছে। ডবলমুরিং থানার ওসিকেও জানানো হয়েছে। তবে অপরপক্ষের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মনছুরাবাদ কলোনি মাঠে বাইরের লোক সমাগম নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে সংঘর্ষ হয়। একপর্যায়ে নাছির গ্রুপের লোকজনকে মারধর করে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। ফলে পুরো অনুষ্ঠান প- হয়ে যায়।
তবে ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ. কে.এম মহিউদ্দিন বলেন, যতদূর শুনেছি ক্রিকেট মাঠে খেলা নিয়ে দ্ইু পক্ষের মধ্যে গ-গোল হয়েছে। পরে সবকিছু ঠিক হয়ে যায়। কেউ থানায় অভিযোগ করতে আসেনি।